টমেটো বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও লাভজনক সবজি। সঠিক জাত নির্বাচন, উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতি এবং রোগবালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অধিক ফলন ও লাভ অর্জন করা সম্ভব।
Advertisement Area
টমেটোতে ভিটামিন A, ভিটামিন C, লাইকোপিন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়ামসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এটি রান্না, সালাদ, সস ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
শীতকালীন আবহাওয়া টমেটো চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। সুনিষ্কাশিত উর্বর দোআঁশ মাটিতে সর্বোচ্চ ফলন পাওয়া যায়।
| জাতের নাম | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|
| বারি টমেটো-১৪ | উচ্চ ফলনশীল |
| বারি টমেটো-১৭ | রোগ সহনশীল |
| বারি টমেটো-১৮ | উন্নত মানের ফল |
| হাইব্রিড জাত | বাণিজ্যিক চাষে লাভজনক |
Advertisement Area
জমি ৪–৫ বার চাষ ও মই দিয়ে ঝুরঝুরে করতে হবে। আগাছা পরিষ্কার করে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে। উঁচু বেড তৈরি করলে পানি নিষ্কাশন সহজ হয়।
উন্নত মানের বীজ বীজতলায় বপন করতে হবে। বপনের ২৫–৩০ দিন পর চারা রোপণের উপযুক্ত হয়।
| সারের নাম | প্রতি শতকে পরিমাণ |
|---|---|
| গোবর | ৪০–৫০ কেজি |
| ইউরিয়া | ১ কেজি |
| টিএসপি | ১.৫ কেজি |
| এমওপি | ১ কেজি |
নিয়মিত সেচ দিতে হবে। জমিতে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। গাছ বড় হলে খুঁটি দিয়ে বেঁধে দিতে হবে।
পাতায় বাদামি দাগ দেখা যায়। অনুমোদিত ছত্রাকনাশক ব্যবহার করতে হবে।
সাদা মাছি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং আক্রান্ত গাছ অপসারণ করতে হবে।
ক্ষেত নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং অনুমোদিত বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে।
Advertisement Area
ফল লাল বা গোলাপি রঙ ধারণ করলে সংগ্রহ করা যায়। বাজারজাত করার আগে আকার ও মান অনুযায়ী বাছাই করা উচিত।
উন্নত পরিচর্যার মাধ্যমে প্রতি হেক্টরে ৪০–৮০ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব।
সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাসে চারা রোপণ করা উত্তম।
সাধারণত ৬০–৯০ দিনের মধ্যে ফল সংগ্রহ শুরু হয়।
গোবর, ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি সুষমভাবে ব্যবহার করতে হবে।